(নিচের
লেখাটি শায়খ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবন মুসলিম আল-বাহলবী লিখিত ‘আদিল্লাতুল হানাফিয়্যাহ’
এর একটি অধ্যায় হতে নেওয়া হয়েছে)
অধ্যায়-২২১ : জুমুআর নামাযের আগের এবং পরের সুন্নাত
৬৯৯। হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি গোসল করে জুমুআয় আসল এবং যতটুকু সম্ভব নামায আদায় করল,
অতপর ইমাম খুতবা থেকে ফারিগ হওয়া পর্যন্ত নিশ্চুপ থাকল, তারপর ইমামের সঙ্গে নামায আদায় করল, সে ব্যক্তিকে
এটা এবং পরবর্তী জুমুআর মধ্যকার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে, বরং অতিরিক্ত আরো তিনদিনের। (সহিহ মুসলিম)
৭০০। এবং তীর কাছ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের মধ্যে যে জুমুআর পর নামায
পড়তে চায় সে যেন চার রাকআত পড়ে নেয় । (সহিহ মুসলিম)
৭০১। জাবালা ইবনে সুহাইম'র সূত্রে হযরত আবদুল্লাহ্
ইবনে উমার রাষি, থেকে বর্ণিত, তিনি
জুমুআর পূর্বে চার রাকআত পড়তেন, এগুলোর মধ্যখানে সালাম দ্বারা
পৃথক করতেন না । আর জুমুআর পরে দু'রাকআত তারপর চার রাকআত পড়তেন
। (শারহু মাআনিল আসার; তাহাবি) এর সনদ সহিহ।
৭০২ । আবু আবদুর রাহমান আস সুলামি থেকে বর্ণিত তিনি
বলেন, হযরত আবদুল্লাহ
ইবনে মাসউদ রাযি. আমাদেরকে জুমুআর পূর্বে চার রাকআত এবং পরে চার রাকআত পড়তে আদেশ করতেন।
(মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক) এর সনদ সহিহ ।
৭০৩। এবং তার কাছ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমাদের নিকট হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. আসলেন, তিনি জুমুআর পর চার রাকআত পড়তেন । তার পরে হযরত আলি রাযি. আসলেন, তিনি জুমুআর নামা আদায় করার পর দু'রাকআত ও চার রাকআত (মোট ছয় রাকআত) পড়তেন । আলি রাযি.র কাজটি
আমাদের নিকট অধিক পছন্দনীয় হলে আমরা সেটাই গ্রহণ করেছি। এর সনদ সহিহ।
৭০৪। এবং তীর সূত্রে হযরত আলি
রাযি. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, যে জুমুআর পর নামায পড়তে
চায় সে যেন ছয় রাকআত পড়ে । (শারহু মাআনিল আসার; তাহাবি) এর সনদ সহিহ।
আরবী অংশ:


No comments:
Post a Comment